সোমবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৮ ১৪২৬   ২৩ মুহররম ১৪৪১

সর্বশেষ:
শিশু ও মাতৃমৃত্যু হ্রাসে বাংলাদেশের বলিষ্ঠ সাফল্য অর্জন: হু আবুধাবিতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর বেড়াতে গিয়ে লাশ হলেন ইমনুর হাওরাঞ্চলে যন্ত্রনির্ভর ধানচাষের লক্ষ্য সরকারের কমবে উৎপাদন ব্যয় দলের ভাবমূর্তি উদ্ধারে পরগাছা দূর করা হবে: কাদের
৬৬

জামালগঞ্জে বাড়ছে রাজহাঁস পালন 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

 


জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনার বাঁক ইউনিয়নের (৯নং ওয়ার্ডের) বাড়ছে রাজহাঁস পালন। বাড়ির গৃহিণীরা রাজহাঁস পালন করে অতিরিক্ত আয়ের উৎস খুঁজে পেয়েছেন। অনেক অসচ্ছল পরিবার রাজহাঁস পালন করে সংসারে স্বচ্ছলতার দেখা পেয়েছে ।

উপজেলার ফেনারবাঁক ইউনিয়নে লক্ষীপুর গ্রামের আঙ্গুরা বিবি, মুতিয়া বেগমসহ একাধিক গৃহিণী জানান, রাজহাঁস পালন করতে তেমন একটা পুঁজির দরকার হয় না। অল্প পুঁজিতে পালন করা যায়। ধানের গুঁড়ো ভাত ও সবুজ ঘাস তাদের প্রিয় খাদ্য। এরা দলবদ্ধভাবে পানিতে ও খাল বিলে চলাচল করতে ভালবাসে। রোগ বালাই কম হওয়ার কারণে দ্রুত বেড়ে উঠে ।

জানা যায়, রাজহাঁস বছরে ১৫-২০টি ডিম দেয়। এক জোড়া ডিম ৭০-৮০টাকা দরে বিক্রি হয়। গৃহিণীরা ডিম বিক্রি না করে বাচ্চা তুলে বিক্রি করতে পছন্দ করেন। একটি বয়স্ক হাঁস ৪-৫ কেজি ওজন হয়। ডিম পাড়ার আগে কোন গৃহিণী হাঁস বিক্রি করেন না। 

সুফিয়া ও লাভলী নামের অপর গৃহিণী জানান, রাজহাঁস পালন করে সংসারে বাড়তি খরচ বহন করছেন তারা।

ইনতনগর গ্রামের আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে ফখরুল ইসলাম বলেন, আমি রাজাহাঁস পালন করছি। এর উপর আমাদের কোন প্রশিক্ষণ নেই। মাঝে মধ্যে হাঁসের রোগ বালাই দেখা দিলে বিপাকে পড়ে যাই। হাতে কলমে প্রশিক্ষণ থাকলে হাঁস লালন পালনে পারদর্শিতা বৃদ্ধি পেতো ।

জামালগঞ্জ উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা মমিনুর রহমান বলেন, রাজহাঁস একটি সৌখিন প্রাণী। বাড়ীতে সাধারণভাবে অবকাঠামো তৈরী করে লালন পালন করা হয়ে থাকে। রোগ বালাইও কম হয়। 

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর