শুক্রবার   ২৩ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৮ ১৪২৬   ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

সর্বশেষ:
আজ ‘গাঙচিল’ উদ্বোধন আদালতে বঙ্গবন্ধুর ছবি টাঙানোর নির্দেশনা চেয়ে রিট ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক ইতিবাচক : জয়শঙ্কর প্রত্যাবাসনের বিপক্ষে প্রচারণা চালালে ব্যবস্থা : পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে প্রস্তুত ঘুমধুম পয়েন্ট
১৩৬

জমজমের এক ফোটা পানির গুণাগুণ পৃথিবীর অন্য কোনো পানিতে নেই 

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭ আগস্ট ২০১৯  

 


বর্তমান বিশ্বে জমজম কূপ ছাড়া অন্য কোনো পানি ব্যাকটেরিয়ামুক্ত নয়। এটি পৃথিবীতে প্রাপ্ত পানিসমূহের মধ্যে সর্বাধিক বিশুদ্ধ। এতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে, যা রোগের নিরাময় হিসেবে কাজ করে।  জমজমের পানি ব্লাড প্লাটিলেট বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।


জাপানের বিখ্যাত গবেষক মাসরু এমোতো জমজমের পানি নিয়ে গবেষণা করেছেন। তার মতে, জমজমের এক ফোঁটা পানির যে নিজস্ব খনিজ গুণাগুণ আছে, তা পৃথিবীর অন্য কোনো পানিতে নেই। 


তিনি আরো বলেন, সাধারণ পানির এক হাজার ফোঁটার সঙ্গে যদি জমজমের পানির এক ফোঁটা মেশানো হয়, তাহলে সেই মিশ্রণও জমজমের পানির মতো বিশুদ্ধ হয়। কেননা জমজমের পানির মতো বিশুদ্ধ পানি পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যাবে না।

 
খলিলুল্লাহ ইবরাহিম (আ.)-এর পুত্র হজরত ইসমাঈল ও স্ত্রী হাজেরা (আ.)-এর এই স্মৃতিকে মহান আল্লাহ এতটাই বরকতময় করে রেখেছেন যে পৃথিবীতে এই পানির নজির আর তিনি রাখেননি। এই পানিকে তিনি বানিয়েছেন সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত এবং হাজারো জীবাণুর প্রতিষেধক। 


মহান আল্লাহ অনেক খাবার ও পানীয়র মধ্যেই রক্তের প্লাটিলেট বৃদ্ধির উপাদান রেখেছেন। জমজম কূপের পানিতেও রেখেছেন এমন কিছু বৈশিষ্ট্য, যা বিভিন্ন রোগ উপশমে সহায়ক। নিম্নে জমজমের পানির কিছু বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো—


জার্মান বিজ্ঞানী নাট ফিফারের গবেষণা মতে, জমজমের পানি আশ্চর্যজনকভাবে দেহের সেল সিস্টেমের শক্তির মাত্রা বাড়িয়ে তোলে।


জমজম পানি বিশেষজ্ঞ ড. ইয়াহইয়া খোশগের মতে, জমজমের পানিতে কোনো দূষণকারী পদার্থ থাকে না। আলট্রাভায়োলেট রশ্মি দ্বারা পরীক্ষায় জমজমের পানিতে কোনো ধরনের দূষণকারী পদার্থ খুঁজে পাওয়া যায়নি।


যেহেতু পানি পান করলে মানুষের ক্ষুধা দূর হয়, ফলে এটি ওজন কমাতে ইচ্ছুকদের জন্য ডায়েটের কাজে সাহায্য করতে পারে। তারা ওজন বৃদ্ধিকারী খাবার কমিয়ে দিয়ে জমজমের পানির মাধ্যমেও শরীরের প্রয়োজনীয় ক্যালরির অভাব পূরণ করতে পারে। নিয়মিত জমজমের পানি পান করলে রোগা ব্যক্তিদের ওজন বাড়াতেও সাহায্য করে এটি।
 

এই পবিত্র পানি চোখে ব্যবহার করলে চোখের জ্যোতি বৃদ্ধি পায় এবং চোখের নানা রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।


এই পানির রাসায়নিক গঠন অ্যালকালাইন প্রকৃতির, যা শরীরের অতিরিক্ত এসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। গ্যাস্ট্রিক, আলসার ও হৃদযন্ত্রে গঠিত বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণ করে। 


বর্তমানে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদেরও আমরা বেশি বেশি জমজমের পবিত্র পানি পান করাতে পারি; যেহেতু মহান আল্লাহ এই বরকত পানিতে ব্লাড প্লাটিলেট বৃদ্ধির উপাদান দিয়ে দিয়েছেন। 


রাসুল (সা.)-এর ভাষায়ও এই পানিকে রোগ নিরাময়কারী বলা হয়েছে। 

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর