শুক্রবার   ১৭ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ৪ ১৪২৬   ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
এক বছরে সিলেটের উন্নয়ন কাজের ফিরিস্তি দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপি নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে নির্বাচনে আসে: দীপু মনি নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনে সরকারের আপত্তি নেই: কাদের প্রথম শিরোপার স্বাদ পেতে আজ মুখোমুখি খুলনা-রাজশাহী ভালো নেই বেদে সম্প্রদায় বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু আজ যেভাবে এগুচ্ছে পদ্মাসেতুর সড়কপথ
৩২

চট্টগ্রামকে জিতিয়ে চলছেন ইমরুল

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯  

বিপিএলে চ্যাডউইক ওয়ালটনের সময়টা একদম খারাপ কাটছে না। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের প্রথম ম্যাচে অপরাজিত ৪৯ রানের এক ইনিংস খেলেছিলেন ক্যারিবীয় এ ব্যাটসম্যান। পরের ম্যাচে দাঁড়াতে না পারলেও আজ ফিফটির দেখা পেয়েছেন ওয়ালটন। শুরুতে এ ক্যারিবীয় এবং পরে ইমরুল কায়েসের ব্যাটে ভর করে রংপুর রেঞ্জার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে চট্টগ্রাম। তিন ম্যাচে এটি চট্টগ্রামের দ্বিতীয় জয়। নিজেদের দুটি ম্যাচেই হারের মুখ দেখল রংপুর।

জয়ের জন্য ১৫৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল চট্টগ্রাম। শুরুতেই ভালো শুরু এনে দেন আভিষ্কা ফার্নান্দো ও ওয়ালটন জুটি। ৭.১ ওভারে চট্টগ্রামকে ৬৮ রানের সংগ্রহ এনে দিয়ে আউট হন ফার্নান্দো। ৩ ছক্কা ও ২ চারে ২৩ বলে ৩৭ রান করেন এ লঙ্কান। তৃতীয় উইকেটে ভালো জুটি গড়ার পথে থেকেও ম্যাচটা শেষ করে আসতে পারেননি ওয়ালটন-ইমরুল কায়েস জুটি। ২৮ বলে ৪১ রানের জুটি গড়েন তাঁরা। ৩২ বলে ফিফটি তুলে নেওয়ার পর আর এগোতে পারেনি ওয়ালটন। ৩ ছক্কা ও ৪ চারে সাজানো ৩৪ বলের ইনিংসটি মোহাম্মদ নবীর স্পিনে শেষ হওয়ার সময় ৪৯ বলে ৪৯ রানের দূরত্বে পিছিয়ে ছিল চট্টগ্রাম।

এখান থেকে দলের হাল ধরেন ইমরুল। ওয়ালটন আউট হওয়ার আগে ১৪ বলে ১৯ রান করে ফর্মটা ধরে রাখার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন ইমরুল। চট্টগ্রাম প্রথম ম্যাচটা জিতেছিল তাঁর ৬১ রানের ইনিংসেই ভর করে। আজও ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেছেন জাতীয় দলের এ ব্যাটসম্যান। আর তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়ার চেষ্টাই করছিলেন মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু ১৭তম ওভারে টম অ্যাবেলকে ছক্কা মারার পরের বলেই পয়েন্টে নাদিফ চৌধুরীর দুর্দান্ত ক্যাচের শিকার হন মাহমুদউল্লাহ। চট্টগ্রাম তখন জয় থেকে ২১ বলে ১৯ রানের দূরত্বে।

নাসির হোসেন এসে জয় তুলে নেওয়া পর্যন্ত সঙ্গ দিতে পারতেন ইমরুলকে। যদিও তা ঘটেনি। শেষ ৩ ওভারে ১৫ রান দরকার ছিল চট্টগ্রামের। ওই ওভারে ইংলিশ পেসার লুইস গ্রেগরিকে মিড উইকেটের ওপর দিয়ে দারুণ এক ছক্কা মারেন ইমরুল। পরের বলেই ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে মারেন দর্শনীয় চার। ম্যাচ মুঠোয় চলে আসে চট্টগ্রামের। ১৮তম ওভারের শেষ বলে অযথাই আউট হন নাসির (৩)। পরের ওভারেই জয় তুলে নেয় চট্টগ্রাম। ২ ছক্কা ও ৩ চারে ৩৩ বলে ৪৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন ইমরুল।

রংপুরের পেসার মোস্তাফিজুর আজ আগের ম্যাচগুলোর চেয়ে তুলনামূলক ভালো করেছেন। কোনো উইকেট না পেলেও ৩.২ ওভারে ২১ রান দিয়ে দলের সেরা বোলার মোস্তাফিজই। বিপিএল এগিয়ে চলার সঙ্গে জাতীয় দলের এ পেসারের ফর্ম ফিরে পাওয়ার প্রত্যাশায় ক্রিকেটপ্রেমীরা।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার