সোমবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৮ ১৪২৬   ২৩ মুহররম ১৪৪১

সর্বশেষ:
শিশু ও মাতৃমৃত্যু হ্রাসে বাংলাদেশের বলিষ্ঠ সাফল্য অর্জন: হু আবুধাবিতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ভোলাগঞ্জ সাদাপাথর বেড়াতে গিয়ে লাশ হলেন ইমনুর হাওরাঞ্চলে যন্ত্রনির্ভর ধানচাষের লক্ষ্য সরকারের কমবে উৎপাদন ব্যয় দলের ভাবমূর্তি উদ্ধারে পরগাছা দূর করা হবে: কাদের
১১৮

ঘুরে আসুন ঐতিহ্যবাহী লাক্কাতুরা চা বাগান

সিলেট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

 

লাক্কাতুরা চা বাগান সিলেট জেলার চৌকিঢেঁকী উপজেলায় ওসমানী বিমানবন্দরের নিকটে অবস্থিত। সিলেট শহরের উত্তর প্রান্ত ঘিরে রাখা সবুজ বনানীই হলো লাক্কাতুরা চা বাগান। এটি ন্যাশনাল টি বোর্ড অধীনস্ত একটি সরকারী চা বাগান । ১২৯৩ হেক্টর বা প্রায় ৩২০০ একর জুড়ে এর অবস্থান । সিলেটের আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে এয়ারপোর্টের দিকে ১.৫ কিলো এগিয়ে শহরের প্রান্ত ছুঁলেই আপনার চোখে পড়বে লাক্কাতুরা চা বাগানের সাইনবোর্ড। বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ এই চা বাগান থেকে বছরে প্রায় ৫০০০০০ কেজি চা উৎপাদিত হয়ে থাকে।


এয়ারপোর্ট রোড থেকে ডানদিকে বাগানের মুল ফটক। ফটক দিয়ে ঢুকেই বাম দিকে পড়বে চা ফ্যাক্টরি এবং রাবার ফ্যাক্টরি। লাক্কাতুরা চা বাগান হলেও এর দুটি আউটপোস্ট দলদলি আর কেওয়াছড়ায় রাবার বাগান সৃজিত হয়েছে। ফ্যাক্টরি ফেলে সামনে এগিয়ে গেলে দেখবেন কিছুক্ষণ পরপর উঁচু টিলার উপর দিয়ে আঁকাবাঁকা রাস্তা উঠে গেছে। এগুলি বাগানের ম্যানেজার এবং সহকারী ম্যানেজারদের বাংলো। ফ্যাক্টরি এবং বাংলোতে যেতে চাইলে কর্তৃপক্ষ থেকে আগেই অনুমতি নিতে হবে। আর শুধু বাগানে ঘুরতে চাইলে মুল ফটকে গার্ডকে একটু অনুরোধ করলেই ভেতরে যেতে দেয়।
লাক্কাতুরা চা বাগান (Lakkatura Tea Garden) এর পাশেই বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের বৃহত্তম এবং সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠিত চা বাগান মালনীছড়া চা বাগান অবস্থিত।


কিভাবে যাবেন

সিলেটের আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে লাক্কাতুরা চা বাগান যেতে দশ মিনিট সময় লাগবে। পাবলিক সিএনজিতে ভাড়া পড়বে জনপ্রতি ৫-১০ টাকা, আর রিক্সায় ১৫-২০ টাকা।


কোথায় থাকবেন

লাক্কাতুরা চা বাগানের ভেতরে চমৎকার একটা গেস্ট হাউস আছে। মনুষ্যশূন্য নিরিবিলি এই গেস্টহাউসে রাত্রিযাপন অনেকটা অন্যগ্রহে থাকার মতোই এডভেঞ্চারাস। এখানে তিনটা রুম, কিচেন এবং গেস্টরুম আছে। বারবিকিউ এবং ক্যাম্পফায়ারের জন্য একটি আদর্শ জায়গা । যারা এখানে থাকতে চান, ঢাকায় ন্যাশনাল টি বোর্ডের হেড অফিস থেকে আগেই অনুমতিপত্র যোগার করে নিয়ে যাবেন।


এছাড়া সিলেটে থাকার মত অনেকগুলো হোটেল আছে, আপনি আপনার প্রয়োজন ও সামর্থ্য অনুযায়ী যে কোন ধরনের হোটেল পাবেন। কয়েকটি পরিচিত হোটেল হল – হোটেল হিল টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা,কায়কোবাদ ইত্যাদি। লালা বাজার এলাকায় কম ভাড়ায় অনেক মানসম্মত রেস্ট হাউস আছে৷ হোটেল অনুরাগ – এ সিঙ্গেল রুম ৪০০টাকা (দুই জন আরামসে থাকতে পারবেন), তিন বেডের রুম ৫০০টাকা(নরমালই ৪জন থাকতে পারবেন)। রাত যাপনের জন্য মাজার/দরগা রোডে বিভিন্ন মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। রুম ভাড়া ৫০০/- টাকা থেকে ৫০০০/- টাকা পর্যন্ত।


কোথায় খাবেন

খাওয়ার জন্য সিলেটের জিন্দাবাজারে বেশ ভালো তিনটি খাওয়ার হোটেল আছে। হোটেল গুলো হচ্ছে পাঁচ ভাই,পানশি ও পালকি। এগুলোতে প্রায় ২৯ প্রকারের ভর্তা আছে।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর