• সোমবার   ১৩ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২৯ ১৪২৭

  • || ২২ জ্বিলকদ ১৪৪১

সর্বশেষ:
সিলেটের ডেকোরেটার্স মালিকদের প্রণোদনা দাবি সিলেটে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন! ধর্মপাশায় করোনা টেস্টের বুথ উদ্বোধন মাধবপুরে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা কমলগঞ্জ ফার্মাসিস্টের বদলী প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন তৃতীয় দফায় করোনা পরীক্ষা করালেন মাশরাফী
১৩০

ঘরোয়া দুই উপায়ে নিয়ন্ত্রণে আসবে ফ্যাটি লিভার!

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ৬ ডিসেম্বর ২০১৯  

ফ্যাটি লিভার বলা হয় চর্বিযুক্ত যকৃতকে। ফ্যাটি লিভার দুই ধরনের হয়। এক, অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ আর দুই, নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ।

মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে যকৃৎ বা লিভারে যে ফ্যাট জমা হয়, তাকে ‘অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ’ বলে। অন্যদিকে মূলত খাদ্যাভ্যাস বা জীবনযাত্রায় মাত্রাতিরিক্ত অনিয়মের ফলে লিভারে যে ফ্যাট জমা হয়, তাকে ‘নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ’বলা হয়।

এই দ্বিতীয় রকমের ফ্যাটি লিভার বংশানুক্রমিক ভাবেও হতে পারে। ‘নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ’কোনো রকম ওষুধ না খেয়েও সারিয়ে তোলা সম্ভব। আর তার জন্য খাদ্যাভ্যাস বা জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনাটা খুবই জরুরি। তবে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রেও সময় মতো সতর্ক না হতে পারলে লিভার সিরোসিসের মতো প্রাণঘাতী অসুখের আশঙ্কাও বহুগুণ বেড়ে যায়। লিভার সিরোসিসে লিভার তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারায়। যার ফলে বাড়ে মৃত্যুঝুঁকি।

ফ্যাটি লিভারের প্রাথমিক লক্ষণগুলো আলাদা করে চেনা খুবই মুশকিল। বেশির ভাগ সময় অন্য কোনো সমস্যার জন্য আলট্রাসনোগ্রাম করাতে গিয়েই লিভারের ফ্যাট ধরা পড়ে। চিকিৎসকদের মতে, যকৃৎ বা লিভারে একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় চর্বি থাকাটা স্বাভাবিক। তবে সেই নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে পাঁচ থেকে দশ শতাংশ বেশি হলেই তা ফ্যাটি লিভার বলে বিবেচিত হয়।

তবে প্রাকৃতিক উপায়ে নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। জেনে নিন পদ্ধতিগুলো-

লেবু পানি

ফ্যাটি লিভারের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে এটি সব থেকে সহজ ও কার্যকরী উপায়। সকালে ঘুম থেকে উঠার পর খালি পেটে এই পানীয়টি খেতে পারেন। এক গ্লাস উষ্ণ গরম পানিতে লেবু আর মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট লিভারে এক ধরনের এনজাইম তৈরি করে, যা লিভারের চর্বি গলাতে সাহায্য করে। নিয়ম মেনে লেবু আর মধুর মিশ্রণটি এক মাস টানা খান।

অ্যাপল সাইডার ভিনেগার

ফ্যাটি লিভার সমস্যা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এটি সেরা প্রতিকার। অ্যাপল সাইডার ভিনেগার লিভারের পাশে জমে থাকা চর্বি কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে। এক গ্লাস গরম পানিতে এক চামচ অ্যাপল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। দিনে দুবার খাওয়ার আগে এই মিশ্রণটি খেতে হবে। তবে সকালে খালি পেটে খাওয়াটাই বেশি ভাল। চাইলে এর সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে নিতে পারেন।

টানা এক মাস নিয়ম মেনে এই মিশ্রণটি সেবন করুন। তবে দুটি পানীয়র যেকোনো একটি খেতে হবে। এতে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। তবে যারা অ্যালকহলিক ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ভুগছেন, তারা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
স্বাক্ষাৎকার বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর