শুক্রবার   ২৩ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৮ ১৪২৬   ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

সর্বশেষ:
আজ ‘গাঙচিল’ উদ্বোধন আদালতে বঙ্গবন্ধুর ছবি টাঙানোর নির্দেশনা চেয়ে রিট ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক ইতিবাচক : জয়শঙ্কর প্রত্যাবাসনের বিপক্ষে প্রচারণা চালালে ব্যবস্থা : পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে প্রস্তুত ঘুমধুম পয়েন্ট
৮০

গোলাপগঞ্জে সুরমা নদীর ভাঙন আতঙ্কে শতাধিক পরিবার

সিলেট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৫ জুলাই ২০১৯  

সুরমা নদীর অব্যাহত ভাঙনে গোলাপগঞ্জের ফুলবাড়ি ইউনিয়নের সুরমা নদীর তীরবর্তী শিংপুর গ্রামের রাস্তাঘাট, আবাদি জমি ও গাছপালাসহ বিভিন্ন স্থাপনা বিলীন হয়ে গেছে। তলিয়ে গেছে মসজিদ ও বসতভিটে। আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় নিঃস্ব হচ্ছেন কৃষকরা। এ অবস্থায় আতঙ্কে দিন কাটছে শিংপুর গ্রামের শতাধিক পরিবারের।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সুরমা নদীর ভাঙনে আবাদী জমি হারিয়ে নিঃস্ব অবস্থায় জীবন যাপন করছেন অনেকে। নদী ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে এ এলাকার মানুষের চলাচলের একমাত্র সুরমা ডাইক নামক রাস্তাটি। তলিয়ে গেছে অনেকের বসতবাড়ি। সর্বশেষ ২০০৫ সালে নদী ভাঙ্গণ রোধে নদী পাড়ের কিছু অংশে ব্লক বসিয়ে ভাঙন কিছুটা রোধ করা হলেও অপর প্রান্তে ভাঙন অব্যাহত থাকে। এরপর ভাঙন রোধে সংশ্লিষ্টরা আর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্রমান্বয়ে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে অসংখ্য স্থাপনা। এছাড়াও কালের সাক্ষী নদী পারের শতবর্ষী বটগাছটিও ভাঙনের কবলে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আওলাদ হোসেন বলেন, চলতি বর্ষা মৌসুমে ও গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণের কারণে ভাঙন বেড়েছে। নদী ভাঙন রোধে বার বার জনপ্রতিনিধিদের দ্বারস্থ হয়েও কোন ফল পাওয়া যায়নি। বিগত দিনেও কবরস্থান ও মসজিদ সহ অনেক ঘর-বাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এ গ্রামের মসজিদ দুইবার তালিয়ে যায় নদী ভাঙনে। ৩য় বার নির্মিত মসজিদও নদী গর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় চতুর্থবার মসজিদ নির্মাণ করেছেন স্থানীয়রা। শীঘ্রই ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ ও অবহেলিত এ গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র পন্থা সুরমা ডাইক রাস্তাটি ভাঙনের দাবিতে গত ১৯জুলাই স্থানীয়রা মানববন্ধনও করেন।

এ ব্যাপারে ফুলবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান বলেন, নদী ভাঙন রোধে ইউনিয়ন পরিষদে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয় না। শিংপুরের মানুষের এ সমস্যা সমাধানের জন্য আমি প্রশাসনের সাথে আলোচনা করব।
 

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর