• শুক্রবার   ০৫ মার্চ ২০২১ ||

  • ফাল্গুন ২১ ১৪২৭

  • || ২১ রজব ১৪৪২

সর্বশেষ:
করোনার টিকা নিলেন প্রধানমন্ত্রী করোনা শনাক্তের হার ঊর্ধ্বমুখী, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৬১৯ বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানালেন জাতিসংঘের মহাসচিব মুশতাকের সব রিপোর্টে স্বাভাবিক মৃত্যুর কথা পাওয়া গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী করোনা যখন পারেনি, আর কেউ থামাতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী এইচ টি ইমাম মারা গেছেন সিরাজগঞ্জে এইচ টি ইমামের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত সীমান্তে প্রতিটি হত্যাকাণ্ড দুঃখজনক: জয়শঙ্কর

কাশ্মির পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ, ক্ষুব্ধ ভারত

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

ভারত সরকার কাশ্মিরে ২০১৯ সালে স্বায়ত্তশাসন বাতিল এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন আইন চালুর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। এতে সেখানকার মুসলিমরা বিভিন্নভাবে বঞ্চিত হবেন বলে আশঙ্কা জানিয়েছেন তারা। ইউরোপীয় ও আফ্রিকান প্রতিনিধিরা কাশ্মির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার একদিন পরই এমন বিবৃতি দেওয়া হলো। আর তাতে ক্ষোভ জানিয়েছে ভারত সরকার। তাদের দাবি, জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের দেওয়া বিবৃতিটি নিরপেক্ষ নয়। বিদেশি প্রতিনিধিদের কাশ্মির সফরকে মাথায় রেখে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এমন উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

২০১৯ সালের আগস্টে কাশ্মিরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারত সরকার। ৩৭০  ধারা বিলোপ করে একে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করা হয়। অঞ্চলটিকে জম্মু ও কাশ্মির এবং লাদাখ নামে আলাদা দুটি ভাগে ভাগ করে ফেলা হয়। বাতিল করা হয় কাশ্মিরের বিশেষ সাংবিধানিক অধিকার। ওই অঞ্চলের ভূমি ও চাকরির ওপর থেকে সেখানকার বাসিন্দাদের বিশেষ সুরক্ষাও বাতিল করে দেওয়া হয়। কাশ্মিরে অন্য এলাকার ভারতীয় নাগরিকদের ভূমি কেনার সুযোগ রেখে ২০২০ সালে একটি আইনও পাস করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের সংখ্যালঘু ইস্যু ও ধর্ম বিশ্বাসের স্বাধীনতাবিষয়ক দুই বিশেষ প্রতিনিধি একটি বিবৃতি দেন। সেখানে বলা হয়, গত বছর ভারত সরকার জম্মু-কাশ্মিরে স্বায়ত্তশাসন বাতিল ও নতুন আইন কার্যকরের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাতে রাজনীতিতে মুসলিমদের অংশগ্রহণ কমে যাবে। চাকরি ও ভূমির মালিকানা থেকে তারা বঞ্চিত হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় বিবৃতিতে।

এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অনুরাগ শিবাস্তব বলেন, ‘জম্মু-কাশ্মির ভারতের অখন্ড অংশ। পার্লামেন্টের আদেশক্রমেই এর মর্যাদায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। যে পরিবর্তনগুলো আনা হয়েছে তার একটি হলো গোটা ভারতে যে আইনগুলো প্রচলিত আছে তা কাশ্মিরেও কার্যকর রাখা; যেন অন্য সবার মতো সেখানকার জনগণও একই আইনি অধিকার ভোগ করতে পারেন।’

শ্রিবাস্তবের অভিযোগ, বিবৃতি প্রকাশের আগে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা ভারত সরকারের বক্তব্য জানার চেষ্টা করেননি। তিনি বলেন, ‘হুট করেই তারা তাদের অযথার্থ অনুমানভিত্তিক বিবৃতিটি মিডিয়ার হাতে পৌঁছে দিয়েছে। এটি প্রকাশের জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে এমন সময়কে বেছে নেওয়া হয়েছে যখন কিনা বিভিন্ন দেশের দূত কাশ্মির সফরে গেছেন।’

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার