• মঙ্গলবার   ০৪ আগস্ট ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ২০ ১৪২৭

  • || ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

সর্বশেষ:
করোনায় সিলেটে আরও পাঁচজনের মৃত্যু সিলেটের ভোলাগঞ্জে আবার চালু হচ্ছে দ্বিতল বাস সার্ভিস সুনামগঞ্জে শুভেচ্ছা উপহার পেলেন ১০০ শিল্পী বিশ্বম্ভরপরে ২০০ জন বন্যার্তকে আর্থিক সহায়তা প্রদান নবীগঞ্জে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র ঘোষণা ৩০ বছর পর কাঁচা চামড়া রপ্তানির সুযোগ
৩৫৫৯

করোনা চিকিৎসায় নতুন দুটি কার্যকর পদ্ধতি আবিষ্কার 

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল ২০২০  


গুরুতর কভিড-১৯ রোগীদের চিৎসায় ভেন্টিলেটর লাগানোর আগে দুটি কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে বলে দাবি স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো ভিত্তিক একটি বায়োটেকনোলজি ফার্মের। তাদের দাবি নতুন এই পদ্ধতিতে রোগীকে ভেন্টিলেটর লাগানোর প্রয়োজনীয়তা অনেক কমবে।

সংস্থাটি বলেছে, সেফটি স্টাডি এবং ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালগুলোকে ত্বরান্বিত করতে এখনই জরুরিভাবে ৪০ লাখ ডলার তহবিল প্রয়োজন।

আইএলসি থেরাপিউটিক্স জানিয়েছে যে, এটি ইন্টারফেরন আলফা সাব টাইপকে পেটেন্ট করেছে, যেটি ইন্টারফেরন-আলফা ১৪ নামে পরিচিত। যা ইনজেকশন বা ইনহেলেশনের মাধ্যমে রোগীদের দেওয়া যেতে পারে। এটি প্রকাকৃতিকভাবে কভিড -১৯ রোগীদের তীব্র শ্বাসযন্ত্রের যন্ত্রণা, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধ করতে পারে। যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে যে, যথেষ্ট সংখ্যক রোগীকে আর কোনো ভেন্টিলেটরে থাকতে হবে না।

আইএলসি বলেছে যে এটি কভিড -১৯ এর সাথে শরীরের প্রাকৃতিক প্রতিরোধ কোষগুলো বাড়িয়েও চিকিৎসা করতে পারে যা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং একটি প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। ফলে মারাত্মক ক্ষতির হাত থেকে ফুসফুস রক্ষা পায়।

ইন্টারফেরন প্রকল্পের পাশাপাশি সংস্থাটি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক সৌম্য ভট্টাচার্যের সাথে কাজ করছে। দুটি চিকিৎসা পদ্ধতিই এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে দ্রুত পরীক্ষা সম্ভব হলে তা কভিড -১৯ রোগীদের প্রাণ বাঁচাতে দারুন ভুমিকা রাখবে। ভেন্টিলেটরের মতো জটিল ও ব্যয়বহুল যন্ত্রের ব্যবহার অনেকাংশে কমে আসবে। ফলে অনেক রোগীর প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হবে।

সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে যে, ডক্টর অ্যালান ওয়াকার নতুন চিকিৎসার পদ্ধতির উন্নয়নের নেতৃত্ব দিতে এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হতে সম্মত হয়েছেন। জীব বিজ্ঞানে ড.ওয়াকারের ৫০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি ইন্টার্নিস এবং রাইবোকিনের প্রাক্তন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ওয়ার্নার ল্যামবার্টে ২৮ বছর অতিবাহিত করেছেন।

ড. ওয়াকার বলেছিলেন, 'এটি লক্ষণীয় যে এই আকারের একটি ছোট, বায়োটেক কম্পানি একটি নয় বরং দুটি অভিনব চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে এবং আমি আশা করি যে, এই চিকিৎসাগুলো ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালগুলোতে সফল হবে এবং জীবন বাঁচাতে দ্রুত এটি বাজারে নিয়ে আসতে পারব বলে আশা করি।' 

তিনি আরো বলেন, আমরা দেখেছি যে, একবারে খুব কম রোগী ভেন্টিলেটর লাগিয়ে বেঁচে থাকে। তাই আমরা নিরাপদে এবং স্কেলেবল উপায়ে এই চিকিৎসা যত দ্রুত তৈরি করতে পারি ততই ভাল।

 সূত্র- দ্য হেরাল্ড।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
আন্তর্জাতিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর