• বুধবার   ২১ অক্টোবর ২০২০ ||

  • কার্তিক ৬ ১৪২৭

  • || ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সর্বশেষ:
করোনামুক্ত পরিকল্পনামন্ত্রী রায়হান হত্যা: নতুন কর্মসূচি দিলো এলাকাবাসী মুজিবনগরকে দৃষ্টিনন্দন করতে ৫৪০ কোটি টাকার প্রকল্প জগন্নাথপুরে দুদিন ব্যাপী ই-নথি প্রশিক্ষণ শুরু সংসদের বিশেষ অধিবেশন বসছে নভেম্বরে তাহিরপুর সীমান্তে পৃথক অভিযানে ভারতীয় মাদকসহ আটক- ১

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের অপেক্ষায় ১৭ হাজার দুর্যোগ সহনীয় ঘর

সিলেট সমাচার

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০  

গৃহহীন মানুষের জন্য ১৭ হাজার পাঁচটি দুর্যোগ সহনীয় ঘর উদ্বোধন হবে ১৩ অক্টোবর। আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ঘরগুলো উদ্বোধন করবেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে সম্প্রতি ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পাঁচ অতিরিক্ত সচিবকে দায়িত্ব দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, ১৭ হাজার পাঁচটি দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত রাখতে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য পাঁচ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হলো।

অতিরিক্ত সচিব শাহ মোহাম্মদ নাছিমকে চট্টগ্রাম, অতিরিক্ত সচিব রঞ্জিৎ কুমার সেনকে ঢাকা, অতিরিক্ত সচিব আলী রেজা মজিদকে রংপুর ও রাজশাহী, অতিরিক্ত সচিব মো. মোয়াজ্জেম হোসেনকে খুলনা ও বরিশাল এবং অতিরিক্ত সচিব রওশন আরা বেগমকে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, টিআর ও কাবিটার বিশেষ বরাদ্দের তিন হাজার কোটি টাকা দিয়ে দরিদ্রদের এক লাখ ২৫ হাজার নতুন ঘর তৈরি করে দেবে সরকার। কোন কোন শর্তে ঘর দেয়া হবে সেজন্য একটি নির্দেশিকাও করেছে মন্ত্রণালয়।

প্রথম পর্যায়ে গত বছর দুর্যোগ প্রশমন দিবসে প্রধানমন্ত্রী ১১ হাজার ২৭৩ দুর্যোগ সহনীয় ঘর উদ্বোধন করেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৫০০ বর্গফুটের প্রতিটি ঘরে থাকবে দুটি রুম, একটি করিডোর, একটি বাথরুম ও একটি রান্না ঘর। দুর্যোগ সহনীয় এসব ঘর হবে টেকসই এবং প্রতিটি ঘরেই থাকবে সোলার সিসটেম আর বজ্রপাত নিরোধক ব্যবস্থা। প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে আড়াই লাখ টাকা।

নির্দেশিকা অনুসরণ করে ডিসিসহ সংশ্লিষ্টরা সুবিধাভোগীদের নির্বাচন করেছেন। কারো এক বা দুই শতাংশ জায়গা আছে কিন্তু ঘর নেই বা ঘর আছে কিন্তু তা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায়। তাদের এ ঘর দেয়া হচ্ছে। এছাড়া যে পরিবারে পুরুষ সদস্য নেই বা পুরুষ সদস্য আছে কিন্তু তার বয়স ৬৫ বছরের উপরে। নদী ভাঙনে যারা ঘরবাড়ি হারিয়েছেন, এছাড়া বেদে ও হিজড়াদের জন্য এ ঘর দেয়া হচ্ছে।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার