শনিবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৬   ০৯ রবিউস সানি ১৪৪১

২২৫৯

এ কেমন ছালা বাবা !

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৬ আগস্ট ২০১৯  

 

হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে শাহ্ হায়দার আলী ওরফে ছালা বাবা রোগী ও সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে হাতিয়ে নিচ্ছেন হাজার হাজার টাকা। তার অদ্ভুদ রুপ আর ভঙিমা দেখে অনেকে ভয়ে আঁতকে উঠেন। অথচ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তারে বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হাসপাতালে আসা রোগী ও স্বজনরা। সেই সাথে দ্রুত তাকে এখান থেকে বিতারিত করার দাবি জানান তিনি।

হাসপাতালে গেলে দেখা যায়, ইমার্জেন্সি বিভাগের সামনে বসে বিভিন্ন ভঙিমা প্রদর্শন করছে। হাসপাতালে আসা রোগীদের স্বজনদের ডেকে নিয়ে উল্টা-পাল্টা কথা বলছে। আবার তার কথা মতো কাজ না করলেই দিচ্ছে বিভিন্ন ধরণের অভিশাপ। এতে বিভ্রান্তিতে পড়তে হচ্ছে হাসপাতালে আসা রোগী ও স্বজনরা। এছাড়া বিভিন্ন সময় নিজের প্রয়োজনে সহজ-সরল বৃদ্ধ পুরুষ ও নারীদের ধরে টানা-হেচড়া করছে। ধমক দিয়ে অনেক রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ঢুকিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করার অভিযোগও রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার উজিরপুর গ্রামের বাসিন্দা শাহ্ হায়দার আলী। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন জায়গায় মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছে। সারা শরীরে পাটের তৈরী ছালা জড়িয়ে রাখায় অনেকে তাকে সালা বাবা নামে ডাকেন। সেই সাথে ঝিঞ্জিল ও তালা ঝুলিয়ে রেখে নিজেকে তাত্ত্বিক বলে দাবি করছেন তিনি।

অভিযুক্ত ছালা বাবা বলেন- ‘আমি কারও সাথে প্রতারণা করি না। আমি ৩০ বছর ধরে মানুষের সেবা করে আসছি। কারও কাছ তেকে কোন টাকা পয়সা নেই না।’

এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) মনির হোসেন বলেন- ‘সে কয়েকদিন ধরে ছালা পড়ে বল্লম নিয়ে হাসপাতালে আসা রোগী ও স্বজনদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। যারা তার প্রলোভনের ফাঁদে না পরেন তাদের বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখানোর চেষ্টা করে।’

তিনি বলেন- ‘এ ব্যাপারে আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সদর থানায় অভিযোগ দেব।’

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার