শনিবার   ১৬ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ১ ১৪২৬   ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
বিমানে আসবে পেঁয়াজ সড়কের কার্পেট তুলে অভিনব প্রতিবাদ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ অর্ধকোটি টাকার গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা! বিয়ানীবাজার আ. লীগের নতুন নেতৃত্ব হবিগঞ্জে বেড়েই চলছে পেঁয়াজের দাম  
৫৩৫

আবার তাহলে পিছিয়ে যাচ্ছে ব্রেক্সিট?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে নির্ধারিত সময়ে বের না হতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে বাধ্য করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির বিচার সচিব। ‘মরে গেলেও এটি করবো না’ বলা জনসন শেষ পর্যন্ত করতে বাধ্য হবেন বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকেরা।

পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে যুক্তরাজ্যকে ইইউ থেকে বেরিয়ে যেতে হবে। অথচ ব্রেক্সিট নিয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের হাতে কোনো পথরেখা নেই। ওদিকে বিরোধী দলের সঙ্গে মিলে বিদ্রোহী টোরি এমপিরা প্রধানমন্ত্রীর চুক্তিহীন ব্রেক্সিট আটকাতে চেষ্টা করছেন।

ইস্যুটি নিয়ে জনসনের সামনে এখন চারটি পথ খোলা আছে। এক. আইন অমান্য করে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ইইউ ত্যাগ করা। দুই. দ্রুত একটি চুক্তি করা। তিন. পদত্যাগ করা। চার. ইইউ ছাড়ার জন্য সময় বাড়িয়ে নেয়া।

১৯ অক্টোবরের মধ্যে এমপিরা চুক্তিসহ অথবা চুক্তিহীন ব্রেক্সিটে সম্মতি না দিলে, প্রধানমন্ত্রীকে ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ব্রেক্সিট পেছানোর জন্য সময় চাইতে হবে।

এটি করলে তার কিছুটা মানহানি হলেও তাৎক্ষণিক সংকট কাটবে।

‘ব্রিটেন এক্সিট’কে সংক্ষেপে বলা হয় ব্রেক্সিট। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া এটি। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৮টি দেশ একে অন্যের সঙ্গে ব্যবসা করতে পারে, নাগরিকেরা এক দেশ থেকে অন্য দেশে যেতে পারে এবং সেখানে বসবাস করতে পারে।

প্রায় ৪০ বছর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে থাকার পর ২০১৬ সালের জুনে একটি গণভোট আয়োজন করে যুক্তরাজ্য। অধিকাংশ ভোটার ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ার পক্ষে ভোট দেন।

এই ভোটের পর সেখানকার রাজনীতি রীতিমতো এলোমেলো হয়ে গেছে। সরকারি-বিরোধী দলের অনেকেই ব্রেক্সিটের বিপক্ষে। পক্ষে থাকার কারণে ক্ষমতা হারাতে হয়েছে থেরেসা মেকে। নতুন প্রধানমন্ত্রী বরিসও থেরেসার মতো ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়তে অনড়।

সিলেট সমাচার
সিলেট সমাচার
এই বিভাগের আরো খবর